1. admin@moderndriving-school.com : Kamrul Hassan : Kamrul Hassan
  2. bdwebexperts@gmail.cpm : bdwebexperts :
  3. vjpdeljmohl@cvolui.xyz : darnellz88 :
  4. ajkerkagoj24@gmail.com : kamrul hassan chowdhury : kamrul hassan chowdhury
  5. mjdotxajfdl@rrunua.xyz : roseanne36x :
  6. piashwater@gmail.com : tuhin :
  7. ccxkkguyvhe@rrunua.xyz : wildafoltz7431 :
গাড়ী'র মামলা - Modern Driving School

গাড়ী’র মামলা

যেসব কারণে যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে: বৈধ কাগজপত্র না থাকলে-রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট, ট্যাক্স টোকেন, ইন্স্যুরেন্স, সাধারণ পরিবহনের জন্য রুট পারমিট, সর্বোপরি চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদি না থাকলে মটরযান আইনে মামলা হতে পারে। এগুলোকে ডকুমেন্টারি মামলা বলা হয়।

ভুল করা বা ট্রাফিক আইন না মানা-ট্রাফিক সিগন্যাল/লাইট না মেনে গাড়ী চালানো, বিপদজনকভাবে দ্রুত গতিতে গাড়ী চালানো, যখন তখন লেন পরিবর্তন করা, গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোনে কথা বলা, হেলমেট ছাড়া মটরসাইকেল চালানো ইত্যাদি কারণে মামলা হতে পারে।যানবাহনের ত্রুটি- যানবাহনের বিভিন্ন ত্রুটি যেমন হেডলাইট না জ্বলা বা না থাকা, ইন্ডিকেটর লাইট না থাকা বা না জ্বলা, সাধারণ পরিবহন/গাড়ীর বডিতে পার্টিকুলার বা বিবরণ না থাকা, মালিক বা মালিকের নাম ঠিকানা না থাকা, গাড়ীতে অতিরিক্ত আসন সংযোজন অথবা গাড়ীতে বিআরটিএ অনুমোদন ছাড়া কোন সংযোজন বা পরিবর্তন করা, ইত্যাদি কারণে যানবাহন মামলা হতে পারে।

যানবাহনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসমূহ: মটর সাইকেল: R/C – রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট I/C ইন্সুরেন্স সার্টিফিকেট T/T – ট্যাক্স টোকেন D/L – ড্রাইভিং লাইসেন্স। মাইক্রো/কার/বাস ভাড়ায় ব্যবহৃত হলে: R/C – রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট F/C – ফিটনেস সার্টিফিকেট R/P – রুট পারমিট T/T – ট্যাক্স টোকেন D/L – ড্রাইভিং লাইসেন্স I/C – ইন্সুরেন্স সার্টিফিকেট। মাইক্রো/কার/বাস ভাড়ায় ব্যবহৃত না হলে: R/C – রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট F/C – ফিটনেস সার্টিফিকেট T/T – ট্যাক্স টোকেন D/L – ড্রাইভিং লাইসেন্স I/C – ইন্সুরেন্স সার্টিফিকেট।

মামলা: মামলা করা প্রয়োজন এবং যথাযথ মনে করলে কর্তব্যরত যেকোন পুলিশ কর্মকর্তা এই মামলা করতে পারেন। রাস্তায় তাৎক্ষণিক মামলার ক্ষেত্রে মামলা প্রদানকারী কর্মকর্তা যানবাহনের একটি ডকুমেন্ট জব্দ করেন। তবে দূর্ঘটনার ক্ষেত্রে মটরযান আইন ছাড়াও নিয়মিত মামলা হতে পারে।

মামলা হলে করনীয়: যে কোন আইন ভাঙার জন্য মামলা হতে পারে। ডকুমন্টারি বা অন্য কোন কারণে মটরযান আইনে মামলা হলে সেটা বিশেষ উদ্বেগজনক কিছু নয়। সিলেট ভিবাগে শাহজালাল উপশহর এ আছে মামলা নিষ্পত্তির সুবিদা । কাজেই যেকোন মামলার ক্ষেত্রে আগে বিবেচনা করতে হবে সেটি কোন এলাকার আওতাভুক্ত। কোন ট্রাফিক বিভাগের অধীনে মামলা হয়েছে সেটা জরিমানার সময় যে টিকেট দেয়া হয় তার পেছনে লেখা থাকে।

সিলেট শহরে মামলা হলেঃ শাহজালাল উপশহর

হাইওয়ে মামলা হলে। (দাসপারা, সুরমা গেইট)

সিলেটের অন্য জেলায় মামলা হলেঃ সিলেট কোর্ট পয়েন্টে (ট্রাফিক অফিস)

১/ ট্রাফিক সংকেত ভঙ্গের জরিমানা ৫০০ থেকে বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ১০ হাজার,

২/ হেলমেট না পরলে জরিমানা ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা

৩/ সিটবেল্ট না বাঁধলে, মোবাইল ফোনে কথা বললে চালকের সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে।

৪/ বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে কাউকে আহত করলে তিন লাখ টাকা জরিমানা ও তিন বছরের জেল হতে পারে।

৫/ নতুন আইনে চালকদের লাইসেন্স পেতে অষ্টম শ্রেণি, সহকারীকে পঞ্চম শ্রেণি পাস হতে হবে।

৬/ ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিপরীতে ১২ পয়েন্ট রাখা হয়েছে। আইন ভঙ্গে জেল-জরিমানা ছাড়াও লাইসেন্সের পয়েন্ট কাটা যাবে। পুরো ১২ পয়েন্ট কাটা গেলে লাইসেন্স বাতিল।

৭/ মোটরযান রেজিস্ট্রেশন ছাড়া মোটরযান চালনা সংক্রান্ত ধারা ১৬ এর বিধান লঙ্ঘনের দণ্ড- যদি কোনো ব্যক্তি ধারা ১৬ এর বিধান লঙ্ঘন করেন, এ জন্য তিনি সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

৮/ ভুয়া রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার ও প্রদর্শনে বিধি-নিষেধ সংক্রান্ত ধারা ১৭ এর বিধান লঙ্ঘনের দণ্ড- যদি কোনো ব্যক্তি ধারা ১৭ এর বিধান লঙ্ঘন করেন, এ জন্য তিনি সর্বোচ্চ দুই বছর তবে কমপক্ষে ছয় মাসের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা তবে কমপক্ষে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

৯/ মোটরযানের মালিকানা পরিবর্তন বা হস্তান্তরের কারণে হস্তান্তর গ্রহীতার রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত ধারা ২১ এর বিধান লঙ্ঘনের দণ্ড- যদি কোনো হস্তান্তর গ্রহীতা ধারা ২১ এর বিধান লঙ্ঘন করেন, এ জন্য তিনি সর্বোচ্চ এক মাস কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

১০/ মোটরযানের ফিটনেস সনদ ছাড়া বা মেয়াদোত্তীর্ণ ফিটনেস সনদ ব্যবহার করে বা ইকোনমিক লাইফ অতিক্রান্ত বা ফিটনেসের অনুপযোগী, ঝুঁকিপূর্ণ মোটরযান চালনা সংক্রান্ত ধারা ২৫ এর বিধান লঙ্ঘনের দণ্ড- যদি কোনো ব্যক্তি ধারা ২৫ এর বিধান লঙ্ঘন করেন, এ জন্য তিনি সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

১১/ ট্যাক্স-টোকেন ছাড়া বা মেয়াদোত্তীর্ণ ট্যাক্স-টোকেন ব্যবহার করে মোটরযান চালনা সংক্রান্ত ধারা ২৬ এর বিধান লঙ্ঘনের দণ্ড- যদি কোনো ব্যক্তি ধারা ২৬ এর বিধান লঙ্ঘন করেন, এ জন্য তিনি সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন

১২/ রুট পারমিট ছাড়া পাবলিক প্লেসে পরিবহন যান ব্যবহার সংক্রান্ত ধারা ২৮ এর বিধান লঙ্ঘনের দণ্ড- যদি কোনো ব্যক্তি ধারা ২৮ এর উপ-ধারা (১) এর বিধান লঙ্ঘন করেন, এ জন্য তিনি সর্বোচ্চ তিন মাসের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

১৩/ মোটরযানের বাণিজ্যিক ব্যবহার সংক্রান্ত ধারা ৩১ এর বিধান লঙ্ঘনের দণ্ড- যদি কোনো ব্যক্তি ধারা ৩১ এর বিধান লঙ্ঘন করেন, এ জন্য তিনি সর্বোচ্চ তিন মাসের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং চালকের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত হিসেবে দোষসূচক ১ পয়েন্ট কাটা হবে।

১৪/ নতুন আইন প্রসঙ্গে বিআরটিএ চেয়ারম্যান ড. মো. কামরুল আহসান বলেন, আইন প্রয়োগে প্রথমদিকে কিছুটা সমস্যা হতে পারে। তা ধীরে ধীরে কেটে যাবে। আইনের উদ্দেশ্য ঢালাও সাজা দেয়া নয়, সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা।

১৫/ নতুন এই আইন অনুযায়ী ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকলে, মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স ব্যবহার করলে অনধিক ২৫ হাজার টাকা জরিমানা বা অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের সাজার বিধান রাখা হয়েছে।

১৬/ মোটরযানের বাহ্যিক ও ভেতরের যন্ত্রপাতির কাঠামো পরিবর্তন করা হলে, বাম দিকে স্টিয়ারিং ব্যবহার করলে, আসন বিন্যাস পরিবর্তন করা হলে অনধিক ৩ লাখ টাকা জরিমানা বা অনধিক ৩ বছর অনন্য ১ বছর কারাদণ্ড বা উভয়দন্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এ সংক্রান্ত অপরাধগুলো ৮৪ নং ধারার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

১৭/ নির্ধারিত ওজনের বেশি ওজন নিয়ে চলাচল করলে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা বা অনধিক ১ বছরের কারাদণ্ড বা উভয়দন্ডের বিধান রাখা হয়েছে। আর এ ধরণের অপরাধে ২ পয়েন্ট কাটা যাবে চালকের। এই এই সংক্রান্ত অপরাধগুলো ৮৬ ধারার অন্তর্ভুক্ত রাখা হয়েছে।

১৮/ নির্ধারিত গতিসীমার অতিরিক্ত গতিতে বেপরোয়া গাড়ি চালালে অনধিক ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা অনধিক ৩ মাসের কারাদণ্ড বা উভয়দন্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এ সংক্রান্ত ৮৭ ধারার অন্যান্য অপরাধগুলো হলো – বিপজ্জনকভাবে ওভারটেক করা এবং অন্যান্য মোটর চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা।

১৯/ গ্লাস ভাঙ্গা, ইন্ডিকেটর ভাঙ্গা বা না থাকা এমন ত্রুটিপূর্ণ, ঝুঁকিপূর্ণ বা নিষিদ্ধ যানবাহন চালানো হলে, সড়কে চলাচলের অনুপযোগী নসিমন, করিমন, ইজিবাইক ইত্যাদি চালানো হলে এই আইনের ৮৯(২) ধারা ভঙ্গ করা হবে। আর তাতে অনধিক ২০ হাজার টাকা জরিমানা বা অনধিক ৩ মাসের জরিমানা বা উভয়দন্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

২০/ মদ বা নেশাজাতীয় কিছু খেয়ে মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালালে অনধিক ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা ৩ মাসের জরিমানা বা উভয় দন্ড দেয়া হবে। ৯২(১) ধারার অন্তর্ভুক্ত অপরাধগুলো হলো- মোটরসাইকেলে ৩ জন বসা, হেলমেট না পরা, ফুটপাতের উপর মোটর সাইকেল চালানো ইত্যাদি।

© All rights reserved © 2020
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: অয়েব ডিজাইন বিডি